‘প্রিন্সেস ডায়ানার ’ ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সাবিকুন নাহার সাদিয়া | প্রকাশিত: ৩১ আগষ্ট ২০২৫, ১৫:১৮

‘জনগণের রাজকুমারী’ প্রিন্সেস অব ওয়েলস ডায়না ফ্রান্সিস স্পেনসারের ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট প্যারিসে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মাত্র ৩৬ বছর বয়সে প্রাণ হারান তিনি।
রাজবধূ হিসেবে নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবে তার স্বভাব, মায়াবী হাসি, দানশীলতা, স্টাইল ও সৌন্দর্যের জন্য বিশ্বব্যাপী অনন্য হয়ে উঠেছিলেন তিনি। মৃত্যুর পরও ফ্যাশন ও মানবিকতার প্রতীক হয়ে রয়েছেন কোটি মানুষের হৃদয়ে।পোশাক থেকে আচরণ পর্যন্ত সবকিছুতেই নিজের রুচির ছাপ রেখেছিলেন ‘প্রিন্সেস ডায়ানা’। সাধারণ মানুষ যেমন তাকে গ্রহণ করেছিল দ্রুত, তেমনই বিশ্বব্যাপী স্টাইল আইকনে পরিণত হতেও সময় লাগেনি তার।
১৯৮১ সালে প্রিন্স চার্লসকে বিয়ে করার পর থেকেই তিনি ছিলেন বিশ্বমিডিয়ার কেন্দ্রবিন্দু। রাজকীয় প্রথা ভেঙে সাধারণ মানুষের সাথে মিশতেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। তার ছোট ছাঁট চুলের স্টাইল ও পোশাকের রুচি এখনও তরুণীদের অনুপ্রাণিত করছে।
তবে রাজকীয় জীবনের আড়ালে ছিল ব্যক্তিগত অশান্তি। ১৯৯৬ সালে চার্লসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আরও এক বছর পেরোতেই দুর্ঘটনায় নিভে যায় তার জীবন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো বিশ্ব। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার তাকে আখ্যা দেন ‘পিপলস প্রিন্সেস’ বা জনগণের রাজকুমারী।
মৃত্যুর পর কেট মিডলটনের পোশাকে তার অনুকরণ, হাইড পার্কে নির্মিত ‘ডায়ানা ফোয়ারা’, কিংবা সিনেমা-ডকুমেন্টারিতে তার জীবনচর্চা—সবই প্রমাণ করে যে ডায়ানার জনপ্রিয়তা এখনও অমলিন।
বিশ্লেষকদের মতে, তার জীবন ও মৃত্যু আজও ব্রিটিশ রাজপরিবারের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রভাবিত করছে। প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের সংসার কিংবা কেট মিডলটনকে ঘিরে আলোচনায় বারবার ফিরে আসে ডায়ানার নাম।
প্রিন্সেস ডায়ানা শুধু ইতিহাসের এক নাম নন, বরং তিনি আজও আছেন কোটি মানুষের হৃদয়ের গভীরে।
বিষয়:
পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।