সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশের দাবিতে মাঠে নামলেন
স্টাফ রিপোর্টার । ঢাকা | প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৬
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আজ সোমবার থেকে ফের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছেন রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। চূড়ান্ত আলটিমেটামের অংশ হিসেবে তারা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চারটি অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন ও গণজমায়েতের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে একটি ভ্রাম্যমাণ অধ্যাদেশ মঞ্চ উন্মোচনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গতকাল বিকেলে সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর কমিটির মুখপাত্র আব্দুর রহমান এসব তথ্য জানান।
“ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগে চারটি অধ্যাদেশ মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। ট্রাকভিত্তিক একটি ভাসমান মঞ্চ সাতটি ক্যাম্পাসে ঘুরে নির্ধারিত সময়ে জনসভা করবে। ঢাকা কলেজ, ইডেন ও বদরুন্নেসা মিলিয়ে এক বা দুটি মঞ্চ, বাঙলা কলেজের সামনে একটি, কবি নজরুল ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ মিলিয়ে একটি এবং তিতুমীর কলেজের সামনে একটি মঞ্চ থাকবে। এসব মঞ্চে সংকট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ছাড়াও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও আয়োজন করা হবে।” – আব্দুর রহমান
ভ্রাম্যমাণ অধ্যাদেশ মঞ্চটি ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত কলেজের প্রতিটি ক্যাম্পাসে পালাক্রমে যাবে। ২২ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় ভ্রাম্যমাণ ও স্থায়ী মঞ্চ নিয়ে শিক্ষার্থীরা আবারও সায়েন্স ল্যাব মোড়ে জমায়েত হবেন। ওইদিন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে গেজেটে প্রকাশ হলে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বৃহৎ বিজয় মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। কোনো ব্যত্যয় ঘটলে সেখান থেকেই যমুনা বা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হবে।
মুখপাত্র জানান, বুধবার ক্যাবিনেট মিটিংয়ের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ভবিষ্যতের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। নেগেটিভ আপডেট এলে তাৎক্ষণিকভাবে ‘মার্চ ফর যমুনা’ কর্মসূচি ঘোষণা হতে পারে। পজিটিভ আপডেট এলে বৃহস্পতিবার চারটি অধ্যাদেশ মঞ্চ থেকে সবাই একযোগে সায়েন্স ল্যাবের ভাসমান মঞ্চে এসে আনন্দ মিছিল করবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। খসড়া চূড়ান্ত করার আগে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়গুলোর মতামত গ্রহণ, ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে জনমত সংগ্রহ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-সুশীল সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ভ্রাম্যমাণ ও স্থায়ী অধ্যাদেশ মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক নেতারা, শিক্ষাবিদ ও সুধীজনকে যুক্ত করে তাদের দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তোলা হবে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।