শবনম বুবলী সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব ও ট্রল নিয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫০
ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলী সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া গুজব ও ট্রল নিয়ে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। গত বছর ছেলে শেহজাদ খান বীরকে নিয়ে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে তার শেয়ার করা ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এই অভিনেত্রী।
দেশে ফেরার পর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, বুবলী আবার মা হতে চলেছেন। তবে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় নেটিজেনদের ট্রলের মুখে পড়েন বুবলী।
শোরুম উদ্বোধনের সময় বুবলী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় এত ট্রল এবং বুলিং হতে দেখে আমার অনেক সহকর্মী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আমি কখনোই এসবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিইনি। তবে এখন মনে হচ্ছে নেওয়া উচিত। কারণ, এড়িয়ে যেতে যেতে এসব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ইদানীং মেয়েরা মেয়েদের নিয়ে বেশি ট্রল করে। হিজাব পরা অনেক আপু আছেন, যারা হিজাব পরছেন, আবার এ ধরনের গুজব নিয়ে মিথ্যা কথা বলে ভিডিও বানাচ্ছেন। আমার মনে হয়, এটা আমাদের ধর্মকে অবমাননা করছে। কারণ ইসলামে এ ধরনের গীবতকে সবচেয়ে জঘন্য কাজ হিসেবে বলা হয়েছে। এ ধরনের ব্যাপার বন্ধ হওয়া উচিত। দেশে এবং দেশের বাইরে আমাদের শিল্পীদের যেভাবে ছোট করা হচ্ছে, এটা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আশা করছি দ্রুতই আমাদের দেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের নজরে আসবে বিষয়টি।”
বুবলীর মা হওয়ার গুজব শুরু হয় একটি অনুষ্ঠানে তার নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর। নেটিজেনরা দাবি করেন, ভিডিওতে তার বেবিবাম্প বোঝা গেছে। এরপর বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে ঢিলেঢালা পোশাকে বুবলীর উপস্থিতি এই গুজব আরও বাড়িয়েছে।
এদিন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন বুবলী। তিনি বলেন, “কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে আমি কখনো ছিলাম না। দেশের সেবা করতে হলে বা মানুষের পাশে থাকতে হলে যেকোনো পেশা থেকেই তা সম্ভব। রাজনৈতিক জ্ঞান আমার হয়তো অনেক কম, তবে আমি চাই দেশে স্থিতিশীলতা আসুক। সবাই সবার মতো করে ইতিবাচক পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পাক। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এটিই আমার প্রত্যাশা।”
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।