উৎসবের আমেজে শুরু নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা
এস কে বাপ্পি | খুলনা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৪৬
প্রতীক বরাদ্দের পরই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। তাদের সঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও। খুলনার বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় শুরু হওয়া প্রচার-প্রচারণায় সর্বত্রই লক্ষ্য করা যাচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
প্রচারণার প্রথম দিন খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে দলবেঁধে গণসংযোগ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
এদিকে গতকাল নগরীতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত খুলনা-৫ আসনেও শুরু হয়েছে প্রচার কার্যক্রম। ডুমুরিয়া উপজেলার জামিরা বাজার এলাকার গৃহবধূ জেসমিন বেগম জানান, বুধবার রাত ১২টার পর কয়েকজন যুবককে দাঁড়িপাল্লার ব্যানার টানাতে দেখেছেন। তবে বৃহস্পতিবার সারাদিনে অন্যান্য প্রার্থীদের কোনো ব্যানার ওই এলাকায় চোখে পড়েনি বলে জানান তিনি।
ডুমুরিয়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা মনিষা বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর হওয়ার আগেই তিনি দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হুজুরদের গণসংযোগ করতে দেখেছেন।
মির্জাপুর বিশ্বাস বাড়ির এক বৃদ্ধা জানান, ভোরে ৫-৬টি ভ্যানে করে হুজুররা এসে গণসংযোগ শুরু করেন। সকাল ৮-৯টার দিকে তারা এলাকা ত্যাগ করেন।
এদিকে খুলনা-২ আসনের শিপইয়ার্ড ও বান্দাবাজার এলাকায় রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে চার যুবককে ছাদের ওপর উঠে ব্যানার টানাতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর লবণচরা থানার সেক্রেটারি মাহামুদুল হাসান জিকো বলেন, “রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে আমাদের ৯টি টিম একযোগে ব্যানার টানানোর কাজ শুরু করে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কাজ শেষ হয়। দলের নির্দেশনা অনুযায়ীই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।”
ডুমুরিয়া উপজেলার সাবেক শিবির নেতা অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন বলেন, “প্রতীক পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যানার পাঠানো হয়। প্রত্যেক এলাকায় রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ব্যানার টানানো শুরু হয় এবং রাতেই তা শেষ করা হয়।”
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।