সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ওয়ানডে সিরিজের শেষ লড়াইয়ে বাংলাদেশের সাফল্যের ইতিহাস

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৮

ওয়ানডে সিরিজের শেষ লড়াইয়ে বাংলাদেশের সাফল্যের ইতিহাস । ছবি: সংগৃহীত

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে যখন সমতা থাকে, তখন তৃতীয় ম্যাচটি কার্যত ‘ফাইনাল’ হয়ে দাঁড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল বেশ কয়েকবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ খেলেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে সর্বশেষ জয়ের মাধ্যমে এমন ম্যাচে বাংলাদেশের জয়-পরাজয়ের হিসাবেও সমতা এসেছে।

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজের এমন ১৮টি ‘ফাইনাল’ ম্যাচ খেলেছে। প্রথম ১৭ ম্যাচে বাংলাদেশের জয় ছিল ৮টি এবং হার ৯টি। পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ জয়ে সেই ব্যবধান ঘুচে এখন সমতা এসেছে।

নিচে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম আটটি জয়ের সংক্ষিপ্ত গল্প তুলে ধরা হলো

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, মিরপুর (২০০৯)
সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারার পর টানা দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। কুয়াশার কারণে ৩৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে জিম্বাবুয়ে উইকেটে করে ১১৯ রান। বাংলাদেশ উইকেট হাতে রেখে এবং ২৭ বল বাকি থাকতে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে। মাশরাফি বিন মর্তুজা উইকেট সাকিব আল হাসান মেডেনসহ উইকেট নেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, মিরপুর (২০১৫)
প্রথম ম্যাচে হারের পর সিরিজ জয়ের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন করে বাংলাদেশ। বৃষ্টিতে ৪০ ওভারের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা করে ১৬৮ রান। সাকিব নেন উইকেট। সৌম্য সরকারের ৭৫ বলে ৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে, মিরপুর (২০১৬)
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশ তোলে উইকেটে ২৭৯ রান। তামিম ইকবাল করেন ১১৮ রান। জবাবে আফগানিস্তান ৩৩.৫ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের শততম ওয়ানডে জয়।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, সেন্ট কিটস (২০১৮)
তামিম ইকবালের ১০৩ মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ৬৭ রানে বাংলাদেশ তোলে ৩০১ রান। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ উইকেটে ২৮৩ রানে থামে। ফলে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, সিলেট (২০১৮)
সিলেটে শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে উইকেটে ১৯৮ রান। শাই হোপ করেন অপরাজিত ১০৮। জবাবে তামিম ইকবাল ৮১ সৌম্য সরকার ৮০ রানে ভর করে ৩৮.৩ ওভারেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, সেঞ্চুরিয়ন (২০২২)
তাসকিন আহমেদের উইকেটে ১৫৪ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর তামিম ইকবালের অপরাজিত ৮৭ রানে মাত্র ২৬.৩ ওভারেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, চট্টগ্রাম (২০২৪)
শ্রীলঙ্কা ২৩৫ রানে অলআউট হওয়ার পর বাংলাদেশ ৫৮ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে। তানজিদ হাসান করেন ৮৪ রান। শেষ দিকে মুশফিকুর রহিম রিশাদ হোসেন দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে, মিরপুর (২০২৫)
সাইফ হাসান (৮০) সৌম্য সরকারের (৯১) জুটিতে বাংলাদেশ তোলে ২৯৬ রান। পরে বাংলাদেশের চার স্পিনারের দাপটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ১১৭ রানে অলআউট হয়ে যায়।

সর্বশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের মাধ্যমে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের সাফল্যের তালিকায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top