মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

মাধবদীর আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যা

২০১৭ সালেও ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি ছিলেন আমেনার বাবা!

মনিরুল ইসলাম মনির | প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:৩৯

ছবি: সংগৃহীত

মাধবদীতে আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। নিহত আমেনার পরিবারের দাবি, তার সৎ বাবা এর আগেও ২০১৭ সালে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

তবে আমেনার বাবার অভিযোগ, ঘটনার দিন নুরা ও তার আরও পাঁচ বন্ধু আমেনাকে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের প্রশ্ন সে রাতে হত্যা মামলার আলোচিত আসামি আশরাফ জড়িত ছিলেন কিনা? তারা আশরাফকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন।

পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, অতীতের ঘটনাগুলো বিবেচনায় এনে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ২০১৭ সালে ঘটে এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড। স্থানীয় সাংবাদিক মনিরুল ইসলামের প্রকাশিত সংবাদের তথ্যানুযায়ী, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের মৌয়াকুড়া গ্রামে স্বামীর অনুপস্থিতিতে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

ঘটনার দিন রাত আনুমানিক দুইটার দিকে প্রতিবেশী আশরাফ আলী সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে গৃহবধূ হাজেরা খাতুনকে কুপ্রস্তাব দেয়। বাধা পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাজেরা পরিবারের সামনে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তীতে স্থানীয়দের সন্দেহে আশরাফ আলীকে আটক করা হয় এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে পূর্বেও নারী নির্যাতন ও চুরির অভিযোগ ছিল।

মাধবদীর সাম্প্রতিক ঘটনায় ২০১৭ সালের মামলার সঙ্গে কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top