ফেলানী হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল:ভিপি সাদিক কায়েম
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস-প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম বলেছেন, ২০১১ সালে সীমান্তে ফেলানী খাতুনকে হত্যার পর কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার মাধ্যমে কার্যত পুরো বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে সীমান্তে ফেলানী খাতুনকে ভারতীয় বাহিনী কর্তৃক হত্যার ১৫ বছর পূর্তিতে ডাকসু প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘আধিপত্যবাদবিরোধী কবিতা ও গানের আসরে’ তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম বলেন, “শহীদ ফেলানী ছিলেন গত ১৬ বছরের লড়াই-সংগ্রামের এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের লিগ্যাসি তার মতো শহীদদের হাত ধরেই তৈরি হয়েছে।”
ডাকসু ভিপি আরও অভিযোগ করেন, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ভারতের ‘সাবলেট কলোনি’-র মতো পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “শহীদ ফেলানীকে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব তখন হারিয়েছিল। আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও অর্থব্যবস্থা ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল।”
সাদিক কায়েমের দাবি, তখনকার সরকার ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা’ ছিল, যা দিল্লি থেকে পরিচালিত একটি পুতুল সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো একেকটি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত হয়েছিল। তিনি শহীদ ফেলানীর বাবা-মায়ের ধৈর্য ও বিচারের লড়াইকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেন।
ডাকসু ভিপি আরও বলেন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উপর হুমকি চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় কোরআন পাঠের আসর আয়োজন করলে তখনকার উপাচার্য মাকসুদ কামালকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ছাত্রদের শাস্তি দিতে। সাদিক কায়েম জোর দিয়ে বলেন, “বর্তমান বাংলাদেশ এই অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতির দেশ। কোরআন পাঠসহ শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক অধিকার রক্ষা করা হবে।”
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।