মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২

চট্টগ্রামে বাস-ট্রেন টার্মিনালে উপচে পড়া ভিড়

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ঘরমুখো মানুষের ঢল

জোবায়ের হোসেন | প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:৩৫

ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ভোটগ্রহণে অংশ নিতে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহর থেকে লাখো মানুষ নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন।

সোমবার বিকেল থেকেই চট্টগ্রামের কদমতলী অলংকার, সাগরিকা ও এ কে খান বাস টার্মিনাল, পাশাপাশি চট্টগ্রাম নিউমার্কেট রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ব্যাগ-পোঁটলা হাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়ির পথে ছুটছেন ভোটাররা। এতে বাস ও ট্রেনের কাউন্টার এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বাড়তি চাপ। বুধবার শেষ কর্মদিবস হলেও অনেক ভোটার আগেভাগেই ছুটি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন। বিশেষ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ভোটাররা দুই থেকে তিন দিনের ছুটি নিয়ে সন্তানদের সঙ্গে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, ভোটের তারিখ যত ঘনিয়ে আসছে, যাত্রীচাপ তত বাড়ছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ রুটে বাসের আগাম টিকিট প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত বাস নামানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে, ট্রেনের টিকিট হাতে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই যাত্রীরা স্টেশনে উপস্থিত হচ্ছেন। অনেক যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনে উঠতেও দেখা গেছে। অপরদিকে বাস টার্মিনালগুলোতে দূরপাল্লার বাসে ওঠার জন্য যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে টার্মিনাল ও স্টেশন এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর পর শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় যাতায়াতের কষ্টকে তারা স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, নাগরিক অধিকার প্রয়োগের এই সুযোগ তাদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ তৈরি করেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে একসঙ্গে ভোট দিতে পারার আনন্দেই তারা আগেভাগে গ্রামের বাড়ির পথ ধরেছেন।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top