বৃহঃস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

রূপগঞ্জের নোয়াপাড়া জামদানী পল্লী ঈদে জমজমাট, বিক্রির সম্ভাবনা ২০০ কোটি টাকা

আতাউর রহমান | প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:০১

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার নোয়াপাড়া জামদানী পল্লী এখন পুরোপুরি জমজমাট হয়ে উঠেছে। ঈদ বাজারে জামদানীর চাহিদা মেটাতে শেষ মুহূর্তে দিন-রাত কাজ করছেন তাঁত শিল্পীরা।

সাধারণত প্রতি মাসে এখানে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার জামদানী বিক্রি হয়। তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ঈদে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জামদানী পন্য বিক্রি হতে পারে।

কলকাপাড়, পান্না হাজার, তেরছি, আঙ্গুরলতা, জুড়িবুটি, এইসব বাহারি নকশায় তৈরি জামদানী শাড়ি রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের বয়ন শিল্পীদের হাতে নিখুঁত এক শিল্পকর্মে রূপ পেয়েছে। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে দেশের একমাত্র জামদানী পল্লীর তিন শতাধিক তাঁতখানায় এই শাড়ি বুনছেন প্রায় দুই হাজার কারিগর।

একটি ভালো মানের শাড়ি তৈরি করতে সময় লাগে এক থেকে দেড় মাস। তবে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে তাঁতীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন, দিন-রাত শ্রম দিয়ে শাড়ি তৈরি করছেন।

কারিগররা বলেন “নকশা ও উপকরণ অনুযায়ী জামদানী শাড়ির দাম আড়াই হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকার মধ্যে রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে এবার বিক্রি অনেক ভালো হবে বলে মনে হচ্ছে।”

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা সাশ্রয়ী মূল্যে জামদানী শাড়ী কিনতে রূপগঞ্জের নোয়াপাড়া আসছেন। ক্রেতারা বলছেন “এবার ঈদে জামদানীর ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে, সেই সঙ্গে বিক্রিও অনেক ভালো হচ্ছে।”

জামদানী পল্লীর উদ্যোক্তারা আশা করছেন, ঈদে স্থানীয় অর্থনীতিতে এই শিল্পের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top