শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১২

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:২৪

ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটাতে ডাকা সমন্বয় সভা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খাঁনের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম এবং রামনগর কলেজের অধ্যক্ষ ও বিএনপি নেতা মোকলেচুর রহমান (পিন্টু মিয়া) ও মতি মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। বিরোধ নিরসনে সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়।

সভা চলাকালে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনা ছড়িয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে এক পক্ষের নেতাকর্মীরা প্রাণ বাঁচাতে থানা চত্বরে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে ঢুকে লাঠিসোঁটা দিয়ে তাদের মারধর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধস্তাধস্তিতে চার পুলিশ সদস্য আহত হন।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন বিপুল হোসেন, পান্নু হোসেন, তুহিন ও ফজলুর রহমান। তাদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অন্য আহতদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ঘটনার পর কালীগঞ্জ পৌর শহর ও দলীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সমন্বয় সভার উদ্যোক্তা রাশেদ খাঁন বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটাতেই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত এ হামলার ঘটনা দুঃখজনক। তিনি নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

কালীগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, থানা চত্বরে প্রবেশ করে হামলার চেষ্টা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top