বৃহঃস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

পুষ্টি বৈষম্য কমিয়ে সুস্থ জাতি গঠনে সচেতনতার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:২২

সংগৃহীত

পুষ্টি বৈষম্য কমিয়ে একটি সুস্থ ও স্বনির্ভর জাতি গঠনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জাতি গঠনে পুষ্টি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। টিকা কার্যক্রম শুরুর পর দেশে হামের প্রকোপ কমেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এখনও অপুষ্টির কারণে শিশুদের মধ্যে হামের প্রভাব বেশি দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে।

তিনি আরও বলেন, শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু শহরের কর্মজীবী মায়েদের মধ্যে ব্রেস্ট ফিডিংয়ের প্রবণতা কমে যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ফাস্টফুড নির্ভরতা ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়েও সতর্ক করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই ঘরের খাবারের প্রতি অভ্যস্ত করতে হবে, না হলে ভবিষ্যতে অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে।

অনুষ্ঠানে তিনি সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ের অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে পুষ্টি সচেতনতা সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, দেশে এখনো দারিদ্র্য, লিঙ্গ বৈষম্য ও সচেতনতার অভাবে পুষ্টি বৈষম্য রয়ে গেছে। শিশুদের খর্বাকৃতি, অপুষ্টি ও বৈচিত্র্যপূর্ণ খাদ্যের ঘাটতি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।

এ বছরের জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ।”

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top