সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

সম্পর্কের ভবিষ্যৎ ও আস্থার বার্তা দেবে ঢাকা

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৫

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি সফরে যাচ্ছেন। তিন দিনের এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, আস্থা পুনর্গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত ইস্যুগুলো প্রাধান্য পাবে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর-এর সঙ্গে বৈঠক হবে বুধবার। এছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং জ্বালানিমন্ত্রী হারদীপ সিং পুরি-র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সফরকে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কের নতুন বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন পথে এগোবে, তা বোঝার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎই প্রধান বিষয় হবে এবং বাংলাদেশ একটি “স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক” প্রত্যাশা করে।

দুই দেশের আলোচনায় যেসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে, সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা দূর করা, জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানো, গঙ্গা ও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন, সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের পক্ষ থেকেও দৃশ্যমান ইতিবাচক পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিশেষ করে ভিসা সীমাবদ্ধতা ও বাণিজ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহারকে সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে ঢাকা।

দিল্লি সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৯ এপ্রিল পোর্ট লুইস যাবেন। সেখানে ১১–১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে অংশ নেবেন তিনি ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে এই সফরকে ‘সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় উভয় দেশই যদি ইতিবাচক অবস্থান নেয়, তাহলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top