বৃহঃস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

ভারত থেকে পাইপলাইনে এলো আরও ৭ হাজার টন ডিজেল

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:২৯

ছবি: সংগৃহীত

ভারত থেকে বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে। ভারতের আসামের নুমালিগড় শোধনাগার লিমিটেড থেকে পাঠানো এই জ্বালানি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড তেল ভাণ্ডারের গ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছায়।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের পরিচালনা বিভাগের ব্যবস্থাপক কাজী মো. রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে পাইপলাইনের মাধ্যমে এই চালান পার্বতীপুরে পৌঁছানো সম্পন্ন হয়। এর আগে সোমবার রাত সাড়ে আটটা থেকে নুমালিগড় শোধনাগার থেকে পার্বতীপুর গ্রহণ কেন্দ্রের উদ্দেশে জ্বালানি পাম্পিং শুরু করা হয়।

চলতি মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৪২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি হয়েছে। আগামী ২৬ ও ২৭ মার্চ আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এপ্রিল মাসে চারটি চালানের মাধ্যমে মোট ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ১১ এপ্রিল ৮ হাজার টন, ১৯ এপ্রিল ৫ হাজার টন এবং ২৩ এপ্রিল ৭ হাজার টন ডিজেল এসেছে। এতে তিনটি চালানে এপ্রিল মাসে ২০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে মার্চ মাস পর্যন্ত চারটি চালানে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে আসে।

ভারতের আসাম থেকে এই জ্বালানি ভূগর্ভস্থ ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুরে পৌঁছায়। পরে সেখান থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এই তিন বিতরণ কোম্পানির কাছে সরবরাহ করা হয়।

উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সারাবছর নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই পাইপলাইন ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

২০২৩ সালের ১৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছর ভারত থেকে ডিজেল সরবরাহ চলবে। বছরে দুই থেকে তিন লাখ টন জ্বালানি আমদানির সুযোগ রয়েছে, যা পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী বাড়ানো হতে পারে।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top