ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন
বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা সতর্কতার প্রয়োজন নেই
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:১২
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের উপ-প্রধান ইন্তা লাসে জানান, বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশব্যাপী মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে ইন্তা লাসে বলেন, “আমরা আশা করি, আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ থাকবে না। আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে যা আমরা অনুসরণ করি।”
তিনি আরও বলেন, মিশনের মূল লক্ষ্য হবে নির্বাচনের প্রক্রিয়া যাচাই করা এবং দেখতে হবে যে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক আইনসমূহ যথাযথভাবে সম্মানিত হচ্ছে কিনা।
মিশনের কাঠামো ও কার্যক্রম
-
২৭টি ইইউ সদস্য দেশসহ কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক অংশগ্রহণ করছেন।
-
ঢাকাভিত্তিক ১১ জন বিশ্লেষক, ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক এবং ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক নির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
-
দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাচন প্রক্রিয়া গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন, ভোটার, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মতামত বিনিময় করবেন।
-
নির্বাচনের আগে পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক পরিবেশ, আইনগত কাঠামো এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
-
নির্বাচনের দিন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা ও ফলাফল তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন।
ইইউ মিশনের প্রধান ইভার্স ইইয়াবস বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন মানে দেশের সকল নাগরিক—বিশেষ করে নারী, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলিকে—নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া।
নির্বাচনের পর, ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইইউ মিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। পরবর্তীতে সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।
ইন্তা লাসে আরও জানান, মিশনটি আচরণবিধি অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে এবং এটি নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।