বৃহঃস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৭৭ মামলা, বর্তমানে কোনো কার্যকর মামলা নেই

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৩

সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট ৭৭টি মামলা ছিল। এসব মামলার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন অথবা মামলাগুলো খারিজ হয়ে গেছে। বর্তমানে তার জানা মতে, তার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর মামলা নেই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা হলফনামায় এ তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।

দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক ধরে বিদেশে অবস্থানরত এই নেতার হলফনামা থেকে তার বর্তমান সম্পদ ও মামলার বিস্তারিত চিত্র পাওয়া গেছে।

হলফনামায় তারেক রহমান তার অস্থাবর সম্পদের তালিকায় প্রধান সম্পদ হিসেবে শেয়ার ও ব্যাংক আমানতের কথা উল্লেখ করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নগদ অর্থ ও ব্যাংক জমা মিলিয়ে তার রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। শেয়ার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ রয়েছে মোট ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৪ টাকা।

এ ছাড়া বিভিন্ন তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫ লাখ টাকা এবং আরও একটি খাতে শেয়ারের পরিমাণ ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। শেয়ারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ হিসেবে ৫ লাখ টাকার তথ্যও দেওয়া হয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী, তার নামে এফডিআরে জমা রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা এবং অন্যান্য আমানতে রয়েছে ১ লাখ টাকা। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর গহনার মূল্য দেখানো হয়েছে ২ হাজার ৯৫০ টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।

স্থাবর সম্পদের বিবরণে তারেক রহমান কৃষি ও অকৃষি জমি এবং আবাসিক ভবনের তথ্য উল্লেখ করেছেন। অকৃষি জমির মধ্যে রয়েছে ২ দশমিক ১ একর ও ১ দশমিক ৪ শতাংশ জমি, যার অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। একই সঙ্গে ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এটি ‘উপহার’ হিসেবে প্রাপ্ত হওয়ায় এর আর্থিক মূল্য অজানা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া তার স্ত্রীর নামে যৌথ মালিকানায় ১১১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি রয়েছে, যার মূল্যও অজানা। যৌথ মালিকানায় ৮০০ বর্গফুটের একটি দোতলা ভবনের তথ্যও হলফনামায় দেওয়া হয়েছে, তবে এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top