মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

এবারের ইতেকাফ শুরু আজ, জেনে নিন গুরুত্ব ও ফজিলত

ধর্ম ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬, ১৩:৫৪

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত হলো ইতেকাফ। প্রতি বছরের মতো এবারও রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ শুরু হচ্ছে। ২০ রমজান অনুযায়ী আগামী ১০ মার্চ মঙ্গলবার ইফতারের আগেই ইতেকাফ পালনকারীরা মসজিদে প্রবেশ করবেন।

রমজান মাসে ইতেকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহ তাআলার রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের আশায় নিজেকে সর্বোচ্চ ইবাদতে নিয়োজিত রাখা। একই সঙ্গে মহিমান্বিত রাত লাইলাতুল কদর লাভের প্রত্যাশায় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে আত্মনিবেদন করাই ইতেকাফের প্রধান লক্ষ্য। ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জীবনের প্রায় প্রতি বছরই রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ পালন করতেন।

ইতেকাফ আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ইবাদত-বন্দেগির এক অনন্য সুযোগ। এর মাধ্যমে একজন বান্দা দুনিয়ার নানা ব্যস্ততা থেকে নিজেকে দূরে রেখে আল্লাহর জিকির-আজকার, কোরআন তিলাওয়াত ও নফল ইবাদতে সময় অতিবাহিত করেন। ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়েছে, ইতেকাফের মাধ্যমে লাইলাতুল কদর লাভের সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

সাধারণত রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ পালন করা হয়। এ সময় ইতেকাফকারীকে মসজিদেই অবস্থান করতে হয় এবং দুনিয়াবি কাজকর্ম থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, লেনদেন বা চাকরিসংক্রান্ত কাজে অংশগ্রহণ করা থেকেও বিরত থাকতে হয়।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন— “তোমরা মসজিদে ইতেকাফ অবস্থায় তোমাদের স্ত্রীদের সঙ্গে সহবাস করো না।” (সুরা বাকারা)

ইতেকাফে বসার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। যেমন— পরিবারের ঈদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা, ফিতরা আদায়ের ব্যবস্থা করা, পরিবারের ব্যয়ভার নিশ্চিত করা এবং মসজিদে ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি দুনিয়াবি জরুরি কাজ ও পারিবারিক প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো আগেই সমাধান করে নেওয়া উত্তম।

সুতরাং ইতেকাফে বসার আগে পরিবারের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করে মসজিদে প্রবেশ করা একজন মুমিন মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top