খামেনির মৃত্যুসংবাদ পোস্ট করে যা বললেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩
বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সারাদিন ধরে বিষয়টি অস্বীকার করা হলেও রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি ও তাসনিম নিউজ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
খামেনির মৃত্যুতে দেশজুড়ে ৪০ দিনের গণশোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে তেহরান।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে খামেনির মৃত্যুসংবাদ প্রকাশ করেন। রোববার মধ্যরাতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, “ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি নিহত।”
ট্রাম্প তার বার্তায় আরও বলেন, খামেনির মৃত্যু শুধু ইরানের জনগণের জন্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেইসব মানুষের জন্যও এক প্রত্যাশিত বিচার—যারা তার নির্দেশে পরিচালিত বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে খামেনিকে শনাক্ত করা হয় এবং ইসরায়েলের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে তিনি নিহত হন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের এটি বড় সুযোগ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড, সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনিচ্ছুক এবং তারা নিরাপত্তা বা ক্ষমা প্রার্থনা করছে।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে সংশ্লিষ্টদের জন্য কঠোর পরিণতি অপেক্ষা করছে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী দেশপ্রেমিক জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রকে নতুন পথে এগিয়ে নেবে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকালে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি নিহত হন। পরবর্তীতে প্রাসাদ চত্বর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উপগ্রহচিত্রে দেখা গেছে, হামলার পর খামেনির প্রাসাদ সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।