শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২

আলী খামেনির শাহাদাতের চল্লিশতম দিবস উপলক্ষে, জাতির উদ্দেশ্যে মুজতবা খামেনির ভাষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৫১

সংগৃহীত

বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি–এ প্রকাশিত মুজতবা খামেনির দীর্ঘ বার্তায় শহীদ আলী খামেনির শাহাদাতের চল্লিশতম দিবসকে কেন্দ্র করে ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়েছে, শহীদ আলী খামেনির শাহাদাত ইরানের ইতিহাসে গভীর শোকের একটি ঘটনা হলেও এই শোককে তারা সংগ্রাম ও প্রতিরোধের শক্তিতে রূপান্তরিত করেছে। এই সময়ের মধ্যে তার অনুসারী ও সহযোদ্ধারা আরও সংগঠিত ও সক্রিয় হয়েছে এবং “শত্রু শক্তির” বিরুদ্ধে অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তাদের নীতির সমালোচনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এসব শক্তি অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ও সংঘাত সৃষ্টি করছে, যার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে জনগণকে জাতীয় পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। মতভেদ থাকলেও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় একসঙ্গে থাকা জরুরি বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণকেই রাষ্ট্রের শক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বার্তায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে। কিছু মিডিয়াকে বিভ্রান্তিকর ও পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে উল্লেখ করে জনগণকে তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শহীদ আলী খামেনিকে একজন দূরদর্শী, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি রাষ্ট্র গঠন, সামরিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

সবশেষে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি ইরানের জন্য একটি নতুন শক্তির যুগের সূচনা করছে এবং দেশটি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির ন্যায্য প্রতিশোধ ও জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের অঙ্গীকারের মাধ্যমে বার্তাটি শেষ করা হয়েছে।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top