রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২

ফেনীতে থানার পুকুর মিলল পুলিশের লুট হওয়া ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ

মিজানুর রহমান | প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫০

ফেনীতে থানার পুকুর মিলল পুলিশের লুট হওয়া ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ ।  ছবি: সংগৃহীত
ফেনীর দাগনভূঞা থানার অভ্যন্তরীণ পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুকুরটিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালানোর পর এই গোলাবারুদ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া সরঞ্জামের অংশ ছিল এগুলো।
 
​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানার মতো দাগনভূঞা থানাতেও হামলা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় পুলিশের বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ খোয়া যায়। দীর্ঘদিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, খোয়া যাওয়া কিছু সরঞ্জাম থানার পুকুরেই থাকতে পারে।  ​রবিবার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এবং দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমানের উপস্থিতিতে পুকুরে সেচ কাজ শুরু হয়। পানি শুকিয়ে ফেলার পর কাদার মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে ২১৯টি শর্টগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
 
 
​সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মুমিদ রায়হান জানান ​"আমরা একটি সোর্সের মাধ্যমে নিশ্চিত হই যে, গণঅভ্যুত্থানকালে মিসিং হওয়া কিছু সরঞ্জাম এই পুকুরে থাকতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালালে অক্ষত অবস্থায় কার্তুজগুলো পাওয়া যায়।"
​দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান জানান, উদ্ধারকৃত প্রতিটি কার্তুজের গায়ে 'বাংলাদেশ পুলিশ' লেখা রয়েছে। বিগত গণঅভ্যুত্থানে থানার ৩৬৫ টি গুলি লুট হয় যার মধ্যে সেচ দিয়ে এখন ২১৯টি উদ্ধার করা হয়েছে। পুকুরে আরও কোনো অস্ত্র বা গোলাবারুদ আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে এখনো তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কার্তুজগুলো বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top