লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ড ও মোটরসাইকেল ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এক তরুণকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকেলে চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের একটি ফিলিং স্টেশনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাপারহাট কলেজের এক সহকারী অধ্যাপক অসুস্থ থাকায় নিজে মোটরসাইকেলে তেল নিতে যেতে পারেননি। এ অবস্থায় তিনি স্থানীয় একজন গ্যারেজ মালিকের সহায়তা চান। পরে ওই গ্যারেজের এক কর্মচারী ফুয়েল কার্ড ও মোটরসাইকেল নিয়ে পাম্পে গিয়ে তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দায়িত্বে থাকা ইউএনও ফুয়েল কার্ড যাচাই করার সময় কার্ডে থাকা ছবির সঙ্গে ওই তরুণের চেহারার মিল না পাওয়ায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা ছাড়াই তাকে থাপ্পড় দেন। এতে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে উপস্থিত লোকজনের চাপের মুখে বিষয়টি আবার যাচাই করা হয়। পরে অসুস্থ শিক্ষকের পক্ষ থেকে ফুয়েল কার্ড ও মোটরসাইকেলের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর প্রায় এক ঘণ্টা পর তরুণটিকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী তরুণ অভিযোগ করে বলেন, তিনি শুধু মালিকের নির্দেশে কাজ করছিলেন। কোনো অপরাধ ছাড়াই তাকে সবার সামনে লাঞ্ছিত করা হয়েছে এবং তিনি এ ঘটনার বিচার চান।
অন্যদিকে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে মারধর করেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্র যাচাই করা হচ্ছিল এবং অনিয়ম সন্দেহে চাবি নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে বিষয়টি সমাধান করে চাবি ফেরত দেওয়া হয়।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।