তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকে জাতীয় রাজনীতির জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত বললেন জামায়াত আমির
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫০
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকে জাতীয় রাজনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীতে জামায়াত আমিরের আবাসিক কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান ডা. শফিকুর রহমান।
পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি অগ্রিম অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তারেক রহমানের এই আগমন জাতীয় রাজনীতিতে রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি, যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচনের পর সহিংসতা এবং বিরোধী দলীয় কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারেক রহমান। এই আশ্বাসকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন—কোনো নাগরিক যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে। তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে জামায়াত আপসহীন থাকবে।
তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ।”
তিনি আরও যোগ করেন, দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করবে এবং স্থিতিশীলতার সঙ্গে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেবে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।