সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে স্বাগত জানালেন ডা. শফিকুর রহমান

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১৮:৪২

সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত খাল খনন কর্মসূচিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তা স্বাগত জানিয়েছেন শফিকুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-র আমির এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টা ৪৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি বলেন, একসময় বাংলাদেশ প্রকৃত অর্থেই নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। নদীগুলো ছিল সচল, আর নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। একই সঙ্গে নদীগুলো মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করত, ফলে বন্যার প্রকোপও তুলনামূলক কম ছিল।

তবে স্বাধীনতার পর বিভিন্ন কারণে দেশের নদ-নদী ও জলাধারের পরিস্থিতি বদলে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিশেষ করে ফারাক্কা বাঁধ-এর প্রভাব এবং নদ-নদী ও খাল-বিল ভরাট হয়ে যাওয়াকে তিনি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। এর ফলে অনেক নদী বর্ষায় পানি ধারণ করতে পারে না, আবার শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। এতে একদিকে অকাল বন্যা দেখা দেয়, অন্যদিকে নৌ-চলাচল ও কৃষিকাজ ব্যাহত হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রধান নদীগুলোতে নিয়মিত ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। এতে নদীগুলো আবার প্রাণ ফিরে পাবে এবং জলব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে নদী খনন ও সংস্কারের নামে বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ হলেও তার প্রত্যাশিত সুফল মেলেনি। তার মতে, তখনকার সময়ে স্বচ্ছতার অভাব ও লুটপাটের সংস্কৃতি এর জন্য দায়ী ছিল।

পোস্টে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সম্পদ জনগণের আমানত—এ কারণে সব ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি মনে করেন, খাল খননের প্রকৃত সুফল পেতে হলে দেশের নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা জরুরি; নচেৎ কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।

 

 এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top