বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২

ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে ৫৮০০ লিটার তেল উদ্ধার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:১৬

ছবি: সংগৃহীত
 

সাতক্ষীরার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের মধ্যেও জেলার গ্রামগঞ্জে হাটবাজারে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

মঙ্গলবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সরেজমিনে হস্তক্ষেপ করে কালিগঞ্জ উপজেলার পারুলগাছা এলাকায় ৫৮০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারুলগাছার ‘আল মদিনা ট্রেডার্স’-এর মালিক আনছার হাজী খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে লিটার প্রতি ১৭৫ টাকায় প্রায় ১৪০০ লিটার অকটেন বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি জানার পর বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয়দের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। তাঁর হস্তক্ষেপে ৮০০ লিটার অকটেন এবং অন্য স্থান থেকে ৫০০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত তেল সাধারণ মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। এই উদ্যোগ এলাকার সাধারণ মানুষ ও স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক আরিফুল ইসলাম বলেন, “খুচরা বাজারে তেলের লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে ব্যবসায়ীরা হুমকি দেয়। আমরা তেলের অভাবে গাড়ি চালাতে পারছি না। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।”

বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মাহমুদ মোস্তফা জানান, “সিন্ডিকেট করে তেলের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা হচ্ছিল। স্থানীয়রা রাতের আঁধারে তেল পাচারের সময় তা রুখে দিয়েছে।”

চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এবং বেশি মুনাফার আশায় তেল মজুদ করছে। আমরা ৮০০ লিটার অকটেন ও ৫০০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করে নায্যমূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করেছি। এসব কালোবাজারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।”

কালিগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top