সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২

খালেদা জিয়ার শোকবইয়ে ৭২ কূটনীতিকের সমবেদনা, সরাসরি শ্রদ্ধা চীন ও ভারতের রাষ্ট্রদূতের

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে খোলা শোকবইয়ে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৭২ জন শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

কার্যালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও সরাসরি গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে শোকবইয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন। কেউ কেউ লিখিত বার্তা পাঠিয়েও প্রয়াত নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

বিএনপির সূত্র জানায়, গত ৩০ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই গুলশান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শোকবই খোলা হয়। ওই দিন থেকেই রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ শোকবইয়ে সমবেদনা জানিয়ে লিখে যাচ্ছেন।

এদের মধ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের হাইকমিশনার এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শোকবইয়ে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন শোকবইয়ে লেখেন,

‘বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ছিলেন এবং স্বাধীনতার এক অকুতোভয় ও দৃঢ়চেতা চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তার নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাসকে রূপ দিতে সাহায্য করেছে এবং তার দৃঢ়তা দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি চীনা জনগণেরও একজন প্রিয় বন্ধু ছিলেন, যার অবদান চীন–বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর গভীর ছাপ রেখে গেছে। চীনের নেতৃত্ব ও জনগণ আমাদের দ্বিপক্ষীয় ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে উচ্চভাবে মূল্যায়ন করে। বাংলাদেশের জনগণের মতো চীনের জনগণও তার মহত্ত্বকে চিরদিন স্মরণ করবে। মহান আল্লাহ তাকে চিরশান্তি দান করুন।’

ভারতের হাইকমিশনার শোকবইয়ে গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানিয়ে লেখেন,

‘ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রভাবশালী নেতা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি।
বাংলাদেশের নেতৃত্বে তার দীর্ঘ ও গৌরবময় অবদান এবং ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এই শোকের মুহূর্তে তার মহান আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি এবং তার পরিবার ও দলের সকল সদস্যের জন্য শক্তি ও সান্ত্বনা প্রার্থনা করছি। কঠিন এই সময়ে ভারতের জনগণ বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে।’



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top