বায়ার্নকে হতাশায় ডুবিয়ে আবারও ফাইনালে পিএসজি
স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ৭ মে ২০২৬, ১০:২১
প্রথম লেগে গোল উৎসবের ম্যাচ উপহার দিয়েছিল দুই দল। সেই ম্যাচে ৫-৪ ব্যবধানে বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়েছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই। ফিরতি লেগে অবশ্য কোনো দলই জয় পায়নি। মিউনিখে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হলেও শেষ হাসি হেসেছে পিএসজিই।
দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে হ্যারি কেইনের গোল বায়ার্নকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও সেটি শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি। আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে পিএসজির প্রতিপক্ষ হবে ২০ বছর পর ফাইনালে ওঠা আর্সেনাল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পিএসজি। তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বায়ার্নের আক্রমণ ঠেকিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে ফরাসি ক্লাবটি। খভিচা কাভারাটস্কেলিয়ার নিচু ক্রস থেকে দৌড়ে এসে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান উসমান ডেম্বেলে।
চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ফরোয়ার্ড চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের অষ্টম গোলের দেখা পান।
এরপর সমতায় ফেরার বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে বায়ার্ন। ২৭ মিনিটে মাইকেল ওলিসের বাম পায়ের জোরালো শট অল্পের জন্য বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জামাল মুসিয়ালার তৈরি করা সুযোগ থেকেও গোল আদায় করতে পারেনি জার্মান ক্লাবটি। পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ দুর্দান্ত দক্ষতায় বিপদ সামাল দেন।
বিরতির পরও আক্রমণের ধার ধরে রাখে বায়ার্ন। ৬২ মিনিটে যোসিপ স্তানিসিচের দূরপাল্লার নিচু শট সহজেই আটকে দেন সাফোনভ। পরে আরও কয়েকটি আক্রমণ ঠেকিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন এই রুশ গোলরক্ষক।
তবে যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে অবশেষে সমতায় ফেরে বায়ার্ন। আলফন্সো ডেভিসের পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে পাঠান হ্যারি কেইন।
কিন্তু সেই গোলও শেষ পর্যন্ত বায়ার্নকে বাঁচাতে পারেনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ওঠার আনন্দে মেতে ওঠেন পিএসজির ফুটবলাররা।
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।