পাকিস্তানে ধুরন্ধরের বাজিমাত,ভাঙল ‘রইস’-এর রেকর্ড

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:১৭

সংগৃহীত

সীমান্তের কাঁটাতার পেরোতে না পারলেও দর্শকদের কৌতূহলের আগুন নেভাতে পারেনি কোনো নিষেধাজ্ঞা। পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না পেলেও অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঝড় তুলেছে ভারতের স্পাই থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পাইরেসির জগতে ইতিহাস গড়ে শাহরুখ খানের ‘রইস’-এর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে রণবীর সিং অভিনীত এই সিনেমা। বর্তমানে পাকিস্তানে এটিই সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া চলচ্চিত্র।

আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ ভারতীয় বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পেলেও রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তানে ছবিটির প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি আটকে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা দর্শকদের আগ্রহ কমাতে পারেনি। বরং অনলাইন জগতে সিনেমাটির প্রতি কৌতূহল আরও বেড়েছে।

টরেন্ট সাইট, টেলিগ্রাম চ্যানেল এবং ভিপিএন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে ‘ধুরন্ধর’-এর অবৈধ স্ট্রিমিং লিঙ্ক। এমনকি ছবির প্রিন্ট নিখুঁত না হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানি দর্শকদের আগ্রহ কমেনি।

রণবীর সিংয়ের পাশাপাশি অক্ষয় খান্না, সারা অর্জুন ও সঞ্জয় দত্ত অভিনীত এই সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে লিয়ারি গ্যাংয়ের সংঘর্ষ, ২৬/১১ মুম্বাই হামলা এবং ১৯৯৯ সালের কান্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের মতো স্পর্শকাতর ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

বিশেষ করে লিয়ারি গ্যাংয়ের চিত্রায়ণ নিয়ে পাকিস্তানে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার ক্লিপ, রিল ও মিম ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুতগতিতে। অনেক দর্শক ছবির রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও বড় একটি অংশ রণবীর সিংসহ অন্যান্য অভিনেতাদের অভিনয়ের প্রশংসা করতে কার্পণ্য করছেন না।

সব মিলিয়ে প্রথম পর্বের নজিরবিহীন জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছে—‘ধুরন্ধর’ কেবল একটি সিনেমা নয়, এটি এখন একটি শক্তিশালী ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পরিণত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ‘ধুরন্ধর ২’ নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। নির্মাতাদের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তি, যেখানে আরও বৃহৎ ক্যানভাস, নতুন চমক এবং আগের চেয়েও তীব্র উত্তেজনা নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হওয়ার আশা করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top