মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২

নির্বাচনে বাধা নেই ঢাকা-১১, কুমিল্লা-৩ ও বগুড়া-১ আসনের বিএনপি প্রার্থীর

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০১

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-১১, কুমিল্লা-৩ ও বগুড়া-১ আসনে বিএনপির তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা নিয়ে করা লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগে দায়ের করা এসব আবেদনের নিষ্পত্তির ফলে তিন প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা রইল না।

মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এসব লিভ টু আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।

লিভ টু আপিলগুলোর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার শাহ নেওয়াজ। শুনানি শেষে আদালতের আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট তিন প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল থাকছে।

ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে তার প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি রিট করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। তবে হাইকোর্ট ওই রিট সরাসরি খারিজ করে দেন। পরবর্তীতে ওই আদেশের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের প্রার্থিতা দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে চ্যালেঞ্জ করেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল। নির্বাচন কমিশন ও হাইকোর্টে আবেদন খারিজ হওয়ার পর তিনি লিভ টু আপিল করেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনও খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

অন্যদিকে বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ঋণখেলাপির অভিযোগে একাধিক আপিল ও রিট দায়ের হলেও সেগুলো খারিজ হয় বা প্রত্যাহার করা হয়। পরে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সাহাবুদ্দিন হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করলে আপিল বিভাগ ওই শুনানি নির্বাচনের পর করার নির্দেশ দেন।

সব মিলিয়ে আদালতের আদেশে তিনটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি জটিলতা থাকল না।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top