বৃহঃস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

বিরোধী দলের মন্ত্রিসভার শপথ বর্জন নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে: সুজন

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:০৩

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানানোর ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা হিসেবে দেখলেও, মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। সেখানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্য নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নির্বাচনকে ঘিরে শুরুতে জনমনে অনিশ্চয়তা ছিল— নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভোট হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সহিংসতার আশঙ্কাও তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তুলনামূলক শান্ত পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হওয়ায় সেই শঙ্কা অনেকটাই কেটে যায়।

সুজন জানায়, নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতা পরাজিত দলের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পরাজিত দলও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানায়—যা নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক বার্তা বহন করছিল।

কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া-না নেওয়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিজয়ী ও পরাজিতদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে। এর জের ধরে ১১ দলীয় জোটভুক্ত দলগুলোর মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

সুজনের প্রত্যাশা, দ্রুত এই অচলাবস্থার সমাধান হবে এবং সব পক্ষ মিলেই গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে। সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা ছিল ব্যাপক—দেশে যেন আর কর্তৃত্ববাদ ফিরে না আসে, ভোটাধিকার নিশ্চিত হয় এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top