জ্বালানি সংকটে চালু হতে পারে অনলাইন ক্লাস, হোম অফিস
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৩:১০
ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধ এখন এক মাস পার করেছে। এই যুদ্ধে কতদিন লাগবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরূপভাবে পড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর বাধার কারণে জ্বালানি ও এলএনজি সরবরাহে দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন সংকট, যা সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে।
সরকার এ পরিস্থিতিতে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আপাতত ৯০ দিনের স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে। এতে সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি একদিন বাড়ানো, কর্মকর্তাদের সপ্তাহে দুদিন ঘরে বসে কাজের সুযোগ, অফিস সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহের অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
সরকার ইতোমধ্যে সব সংস্থাকে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়ে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। বেশ কিছু মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে তাদের কৃচ্ছ্রসাধনমূলক ব্যবস্থার খসড়া তৈরি শুরু করেছে, যা শীঘ্রই মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলে যাওয়া হতে পারে।
প্রজাস্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়ক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দিনের আলো ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক বাতি কমানো, অফিস চলাকালে শুধু প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার, এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখা এবং অফিস ত্যাগের সময় সব যন্ত্র বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক। করিডোর, ওয়াশরুম ও সিঁড়িতে অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখতে হবে।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব সামলানো এবং দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা।
তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।