অর্থনীতির চালকের আসনে থাকা ব্যক্তি খাতকে আরও সহায়তা প্রয়োজন: মামুন রশীদ
মামুন রশীদ | প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৩
বাংলাদেশে গত ৫৪ বছরে ব্যক্তি খাতের বিকাশ বিশাল ও ভবিষ্যৎমুখী। এই বিকাশে উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীরা, শ্রমিকরা, অনুকূল নীতি পরিবেশ এবং সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
লেখক বলেন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচনের উপর দৃঢ় বিশ্বাসের কারণে ব্যক্তি খাত গত দুই যুগে অর্থনীতির মূল চালক হিসেবে উঠে এসেছে। স্থানীয় বাজারে এক বিলিয়ন ডলারের বিক্রয় ও ৫০০ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান।
নতুন সরকারের নেতৃত্বে ব্যক্তি খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, এবং ব্যবসায়িক আইন-কানুন পুনর্বিন্যাস করা জরুরি। বিশেষ করে শ্রম আইন, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় আইন, বিদেশে বিনিয়োগ ও আন্তদেশীয় বাণিজ্য আইন আধুনিকভাবে সাজানো প্রয়োজন।
দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকে শক্তিশালী করতে লেখক উল্লেখ করেছেন, েব্যাংক ঋণের সুদের হার কমিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি, ডলারের বিনিময় হার সামান্য কমিয়ে শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ করা, শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, যুক্তিশীল কর প্রশাসন ও দক্ষ পোর্ট ব্যবস্থা।
টিসিবি দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ কার্যকর নয়। বরং বড় মার্কেট অপারেটরের সঙ্গে বসে সমস্যাগুলো বুঝে প্রণোদনা দিয়ে দায়িত্বশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ঘুষ-দুর্নীতি দূরীকরণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ।
লেখক আরও বলেন, উদীয়মান প্রযুক্তির যুগে তরুণ ও স্টার্টআপদের আরও বেশি ভূমিকা নিশ্চিত করার সময় এখনই।
লেখক: অর্থনীতি বিশ্লেষক ও চেয়ারম্যান, ফিন্যানশিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেড
সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।