দেশের সাত জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দিনের বিভিন্ন সময়ে পৃথক এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে পটুয়াখালীতে ৪ জন, জামালপুর ও বরগুনায় ২ জন করে এবং ময়মনসিংহ, বাগেরহাট, রংপুর ও রাজবাড়ীতে একজন করে রয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
পটুয়াখালীতে সর্বোচ্চ প্রাণহানি
পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সবাই মাঠে কাজ বা গরু দেখাশোনার সময় বজ্রপাতে নিহত হন। একই সঙ্গে গত দুই দিনে জেলায় অর্ধশতাধিক গবাদিপশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
জামালপুরে দুইজন নিহত
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় মাছ ধরতে গিয়ে এক ব্যক্তি এবং রাস্তার কাজ করার সময় এক শ্রমিক বজ্রপাতে মারা যান।
বরগুনায় জেলে ও কৃষকের মৃত্যু
বরগুনার পাথরঘাটা ও আমতলী উপজেলায় বজ্রপাতে এক জেলে ও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহে মাছ ধরতে গিয়ে মৃত্যু
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় সকালে নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়।
বাগেরহাটে দিনমজুর নিহত
বাগেরহাট সদর উপজেলায় মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে এক দিনমজুর প্রাণ হারান।
রংপুরে গৃহবধূর মৃত্যু
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় বাড়ির পাশে খড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে বজ্রপাতে এক গৃহবধূ নিহত হন।
রাজবাড়ীতে মর্মান্তিক ঘটনা
রাজবাড়ীতে শিশুকন্যাকে কোলে নিয়ে বাজারে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়। তবে শিশুটি সামান্য আহত হলেও বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।
সতর্কতার আহ্বান
বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, নদী বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করার জন্য সংশ্লিষ্টরা সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে কালবৈশাখী মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।