‘ভাই ব্যবসা’ নয়,রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৮
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে জুলাই শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর স্নিগ্ধ প্রথমবার মুখ খুলেছেন। ভাই হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা তিনি জানিয়েছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে মীর স্নিগ্ধ জানান, ভাইয়ের হত্যার বিচারের জন্য নানা প্রয়াস চালানো হলেও আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা কঠিন। তাই রাজনৈতিক পথে বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে মাত্র ২০ টাকার একটি ফর্ম পূরণ করে রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন।
মীর স্নিগ্ধ পোস্টে উল্লেখ করেন, দেশের বাইরে পড়াশোনা করে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ এড়িয়ে, শহীদ মুগ্ধ ও জুলাই আন্দোলনে আহতদের জন্য জুলাই ফাউন্ডেশন-এ বিনা পারিশ্রমিকে কাজ শুরু করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একা ছিলাম না; ছাত্র উপদেষ্টা থেকে শুরু করে জুলাই আন্দোলনের আরও পরিচিত মুখ ফাউন্ডেশনে যুক্ত ছিলেন। সবাই মিলে সর্বোচ্চ সততার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি।”
অপর দিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পরপরই আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো আইনি যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেছেন। মামলার অন্যতম আসামি বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামসহ তিনজনের পক্ষে তিনি যুক্তি দিচ্ছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে গ্রেপ্তার থাকা ছয় আসামিকে হাজির করা হয়। তারা হলেন: এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
মামলার মোট ৩০ আসামির মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যেই চারজন পলাতক আসামির জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল প্রতিবেদন আমলে নেন এবং ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়। ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়ার পর বর্তমানে মামলা রায়ের পূর্ববর্তী ধাপে পৌঁছেছে।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।