হাম হলে কী করবেন? অভিভাবকদের জন্য জরুরি করণীয়
লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১২:৩১
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। তবে টিকা না নেওয়া যে কোনো বয়সের মানুষও এতে আক্রান্ত হতে পারেন। শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগ দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
আগে একে সাধারণ শৈশব রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে এটি গুরুতর জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব এবং শিশুমৃত্যুর ঘটনা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাই সময়মতো সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হাম হলে কী করবেন
১. দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
হামের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে এটি সত্যিই হাম কি না। সাধারণত সঠিক যত্নে ৩ দিনের মধ্যে জ্বর কমে এবং ৭ দিনের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে।
২. পরিচ্ছন্নতা ও যত্ন
রোগীকে নিয়মিত গোসল করানো এবং ভেজা তোয়ালে বা নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছিয়ে দেওয়া উচিত। এতে আরাম পায় এবং জ্বর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৩. জ্বর ও বমি হলে আতঙ্ক নয়
হামের সময় বেশি জ্বরের কারণে বমি হতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে—অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
জ্বর হলে করণীয়
৪. পূর্ণ বিশ্রাম নিশ্চিত করুন
রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। এই সময় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
৫. পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার
শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করতে বেশি করে পানি, স্যুপ, ফলের রসসহ তরল খাবার দিতে হবে।
কেন চিকিৎসা জরুরি
সময়মতো চিকিৎসা না করালে হাম থেকে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে নিউমোনিয়া, কানে সংক্রমণ এবং মস্তিষ্কে জটিল রোগ (এনসেফালাইটিস)। এসব জটিলতা জীবনঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।