বৃহঃস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

সংগীত শিক্ষা চালু করা হলে তা মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হবে:হেফাজতে ইসলাম

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:৪৬

সংগৃহীত

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সংগীত শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব সাজেদুর রহমান এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, অভিভাবকদের মতামত উপেক্ষা করে সংগীত শিক্ষা চালু করা হলে তা মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসলামে বাদ্যযন্ত্র অনুমোদিত নয়—এই বিশ্বাস থেকে সংগীত শিক্ষা অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলিম পরিবারের কাছে একটি সংবেদনশীল ধর্মীয় বিষয়। তাই বাধ্যতামূলকভাবে এই শিক্ষা চালু করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী-এর বক্তব্যের সমালোচনা করে তারা বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। তাদের মতে, যেমন সব শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় আচার শেখানো যৌক্তিক নয়, তেমনি সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে সংগীত শেখানোও ঠিক নয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে সংগীত শিক্ষার জন্য আলাদা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যেসব অভিভাবক চান, তারা সেসব প্রতিষ্ঠানে তাদের সন্তানদের সংগীত শিক্ষা দিতে পারেন।

সংগঠনটি জোর দিয়ে বলে, শিশু-কিশোরদের নৈতিক ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে ধর্মীয় শিক্ষা অপরিহার্য। সংগীত শিক্ষা সবার জন্য প্রয়োজনীয় নয়, কিন্তু ধর্মীয় শিক্ষা অত্যাবশ্যক—এমন মতও তুলে ধরা হয়।

এছাড়া, প্রাথমিক পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসার কথাও উল্লেখ করেন নেতারা। তারা তারেক রহমান-এর প্রতি দ্রুত এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তাদের মতে, মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিলে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top