শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করলো ভারতীয় জাহাজসহ চারটি জাহাজ

আন্তজাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৮

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের একটি কার্গো জাহাজসহ আরও তিনটি বড় জাহাজ নতুন নৌপথ ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালী পার হয়েছে। এই নতুন পথটি আন্তর্জাতিক জলসীমা এড়িয়ে ওমানের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার মধ্য দিয়ে গেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়।

এনডিটিভি ডেটাফাই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তেল, এলএনজি ও সাধারণ পণ্যবাহী অন্তত চারটি বড় জাহাজ এই নতুন পথ ব্যবহার করেছে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী হাবরুত এবং ধালকুত নামের দুইটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ, এবং পানামার পতাকাবাহী সোহর এলএনজি ক্যারিয়ার, ওমানের আঞ্চলিক জলসীমায় প্রবেশ করেছে।

জাহাজগুলোকে দেখা যায় মাস্কাট উপকূল থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে। ধালকুত ও হাবরুত যথাক্রমে ২০ লক্ষ ব্যারেল সৌদি ও আমিরাতের তেল বহন করছিল।

তিনটি জাহাজের পিছনে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি কার্গো ক্যারিয়ার  এসএসভি কুবা এসএনভি ২১৮৩, যা ৩১ মার্চ দুবাই থেকে যাত্রা শুরু করে ওমানের দিব্বা বন্দর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলা শুরু করে।
ভারতসহ অনেক দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় তেহরান একটি নতুন, দীর্ঘতর নৌপথ স্থাপন করে।

এই পথটি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা ও কেশম ও লারাক দ্বীপের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ পথ ব্যবহার করে। সপ্রতিটি জাহাজে বহন করা অপরিশোধিত তেলের ব্যারেলের ওপর ১ ডলার টোল আরোপ করা হয়।

এই সময় কেশমে অবস্থিত আইআরজিসি-র প্রধান নৌঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা বিশ্লেষকদের মতে বিমান হামলার কারণে ঘটে।
বিশ্লেষক মন্তব্য

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহনের চাপ কমানোর একটি প্রাথমিক সংকেত হিসেবে এই নতুন পথ গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্বাভাবিক হরমুজ নৌপথের পাশাপাশি ইরানের তৈরি দীর্ঘতর পথও এড়িয়ে যাচ্ছে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top