গোপালগঞ্জে নির্বাচন ঘিরে যৌথ বাহিনীর জোরালো নিরাপত্তা তৎপরতা
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০২
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬কে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলায় শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন চলছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনকারী এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। প্রধান সড়ক, প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন এবং যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
প্রিজাইডিং অফিসার ও নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে। এই প্রশিক্ষণে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা, নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণ, মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্কতা, সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচনী আচরণ, সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সভায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গুজব ছড়ানো বা মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের ভীতি বা বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।
নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় যৌথ বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে, যাতে গোপালগঞ্জে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সেনাবাহিনী ও প্রশাসন প্রার্থীদের অনুরোধ করেছে, কোনো ধরনের অনুরোধ বা সুপারিশের মাধ্যমে তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে না ফেলতে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনের জন্য সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অপরিহার্য।
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।