আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে নগরবাসীর জন্য বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এই উদ্যোগের আওতায় খুলনায় নির্ধারিত স্থানে দুই থেকে তিন দিন প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে দুধ, ডিম ও ড্রেস ব্রয়লার মুরগিও পাওয়া যাবে। আগামী ১৫ মার্চ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
গত বছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে নগরবাসীর জন্য এমন উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এতে খোলা বাজারের তুলনায় কিছুটা কম দামে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কেনার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নগরীর ময়লাপোতা মোড়, নিউমার্কেট, রূপসা, চিত্রালী বাজার ও দৌলতপুর এলাকায় বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ডিম প্রতি হালি সাদা ৪২ থেকে ৪৪ টাকা এবং লাল ডিম ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায়।
এদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা, প্রতিটি ডিম ৮ টাকা এবং ড্রেস ব্রয়লার মুরগি ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়, শিববাড়ি, রূপসা স্ট্যান্ড রোড, দৌলতপুর ও খালিশপুরে স্থাপিত অস্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্র থেকে এসব পণ্য পাওয়া যাবে। আগামী ৯ মার্চ সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষে সরকার প্রতি কেজি গরুর মাংসে ১০০ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। প্রতিদিন প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২০০ কেজি করে মাংস বিক্রি করা হবে।
রোজা উপলক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলাসহ আরও কয়েকটি এলাকায় অর্ধেক দামে ফার্মের ডিম বিক্রির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সেখানে লাল ডিম ১২টি ১০০ টাকা এবং সাদা ডিম ১৩টি ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। প্রথম রমজান থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।
প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ড্রেসার বিক্রেতা পলাশ সরকার জানান, প্রতিদিন গড়ে এক থেকে দেড় হাজার পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে।
পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।