বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

বাংলা একাডেমিতে ‘মহাজীবনের উপাখ্যান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: | প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৫

সাংবাদিক ও লেখক সাবরিনা শুভ্রা রচিত “মহাজীবনের উপাখ্যান” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক ও লেখক সাবরিনা শুভ্রা রচিত “মহাজীবনের উপাখ্যান” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে দশমিক প্রকাশনীর আয়োজনে বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ এমপি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ফ্যাসিবাদের পতনের পর কথা বলার সুযোগ পেলেও তিনি কখনো প্রতিহিংসামূলক ভাষা ব্যবহার করেননি। নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের কথা না তুলে বরং তিনি সবাইকে প্রতিহিংসা পরিহার করে ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব দল, মত, ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ‘মহাজীবনের উপাখ্যান’ রচনার জন্য লেখক সাবরিনা শুভ্রাকে ধন্যবাদ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, নতুন বাংলাদেশের এই সময়ে আমাদের প্রিয় নেত্রী সদ্যপ্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হতেন। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে তিনি মাঠে নেমেছিলেন। দীর্ঘ ৯ বছরের আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষকে সংসদীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, তার কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং তার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আরও গবেষণা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে বইটি প্রকাশের জন্য তিনি লেখককে ধন্যবাদ জানান।

দশমিক প্রকাশনীর প্রকাশক দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বইটির লেখক সাবরিনা শুভ্রা অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, এত বড় একজন মানুষকে নিয়ে লেখা সহজ কাজ নয়। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে তার কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি। একজন গৃহিণী হিসেবে তিনি কেমন ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান কী ছিল—সেসব বিষয় বইটিতে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বইটি পাঠকদের কাছে সমাদৃত হবে এবং শিক্ষার্থীদের কাছেও পৌঁছে যাবে। এ বিষয়ে তিনি সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার উপদেষ্টা শায়রুল কবির খান।

এছাড়া আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ, সংবাদ উপস্থাপক ফারাবী হাফিজসহ আরও অনেকে।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top