রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২

শতাধিক গুম-খুন: জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আজ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচারপ্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে প্রবেশ করছে আলোচিত এই মামলা।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের পাশাপাশি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, আজ শুনানির শুরুতে মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করা হবে। এরপর এক নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে মূল সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। এই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আজকের দিনটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে বলা হয়- ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুরের পুবাইলে জিয়াউল আহসানের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় তার ওপর আনা হয়েছে। তৃতীয় অভিযোগেও একই ধরনের আরও ৫০ জন হত্যার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তীতে ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top