সংসদে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ ঘোষণার দাবি
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২০:২৪
গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে দাবি করেছেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে খালেদা জিয়ার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করা হোক এবং তার দুই সন্তান—বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এই প্রস্তাব জানান তিনি।
মুজিবুর রহমান বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরবাসীর ঐক্যবদ্ধ অবস্থান প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দীর্ঘ নয় মাস বন্দি থাকা সত্ত্বেও এই পরিবার অসীম ধৈর্য ও দেশপ্রেমের উদাহরণ স্থাপন করেছে, যা ইতিহাসে বিরল।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রিয় নেত্রী, দেশমাতা খালেদা জিয়া ১৯৭১ সালে তার দুই সন্তানসহ পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো সেই কষ্টের দিনগুলো পার করেছেন মায়ের সঙ্গে বন্দিশালায়। এটি কোনো রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, ইতিহাসের সত্য।”
মুজিবুর রহমান উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে এবং বর্তমানে তিনি বলছেন—বেগম খালেদা জিয়াকে তার অবদানের জন্য পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পাশাপাশি, নয় মাস বন্দি জীবন কাটানো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহোদর ভাইকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
তিনি জানান, তারেক রহমানের দেশপ্রেম ও যুগান্তকারী আহ্বানে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমেছে। তারা বিশ্বাস করেন, একটি বৈষম্যহীন দেশ গড়তে হলে ইতিহাসের প্রতিটি ত্যাগের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া অপরিহার্য।
মরহুম আরাফাত রহমানের কথা স্মরণ করে মুজিবুর রহমান বলেন, “তাকে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। শৈশবেই যুদ্ধের ময়দানে বন্দি থাকা থেকে শুরু করে পরবর্তী জীবনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া—তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় বেদনাবিধুর।”
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।