বৃহঃস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২

জাতিসংঘের কার্যালয় ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরায়েল,আন্তর্জাতিক নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩২

সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর পূর্ব জেরুজালেম সদর দপ্তর ইসরায়েলের দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছে। এ ঘটনায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডাসহ ১১ দেশ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, এটি সংস্থার কার্যক্রম দুর্বল করার জন্য ইসরায়েলের আরও একটি অগ্রহণযোগ্য উদ্যোগ। খবর আলজাজিরার।

বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জাপান, নরওয়ে, পর্তুগাল, স্পেন ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে ধ্বংসযজ্ঞকে ‘অভূতপূর্ব হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে সব ধরনের ধ্বংসকাজ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল ইউএনআরডব্লিউএর ওপর চাপ বাড়িয়েছে। সংস্থার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই হামাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনেছে ইসরায়েল, যা জাতিসংঘ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

২০২৪ সালের শেষ দিকে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট একটি আইন পাস করে, যার মাধ্যমে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইউএনআরডব্লিউএর কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়। গত ডিসেম্বরে আইনটি আরও কঠোর করার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস তীব্র নিন্দা জানান। গত সপ্তাহে ইসরায়েলি বাহিনী পূর্ব জেরুজালেমে সংস্থাটির সদর দপ্তরে অভিযান চালিয়ে ভবন ধ্বংস শুরু করে।

ইউএনআরডব্লিউএর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, এটি একটি জাতিসংঘ সংস্থা ও তার স্থাপনার বিরুদ্ধে অভূতপূর্ব হামলা। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় বিশ্বাসী সব দেশের মতো ইসরায়েলেরও দায়িত্ব হলো জাতিসংঘের স্থাপনার অখণ্ডতা রক্ষা করা।

লাজারিনি আরও জানান, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) ২০২৫ সালের রায়ের সরাসরি লঙ্ঘন। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ইসরায়েলের দায়িত্ব হলো ইউএনআরডব্লিউএর ওপর আরোপিত সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া এবং সংস্থার কার্যক্রম সহজতর করা।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top