আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঝুলে রইল চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল
জোবায়ের হোসেন | প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫৭
ভোটে জয়ী হলেও আইনি জটিলতায় অনিশ্চয়তায় ঝুলে গেছে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল। ঋণখেলাপির অভিযোগে প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হওয়ায় আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল গেজেট আকারে প্রকাশ না করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নুরুল আমিন পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।
ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট দুই আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে লিভ টু আপিল করেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট এর আপিল বিভাগ গত ৩ ফেব্রুয়ারি লিভ মঞ্জুর করেন।
আদালত রায়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন; তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই দুই আসনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা যাবে না।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আপিল শুনানিতে যদি প্রমাণ হয় যে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ঋণখেলাপি নন, তাহলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে। অন্যথায় আসন দুটির চূড়ান্ত ফলাফল পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
ফলে ভোটে জয়োল্লাস থাকলেও আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে চট্টগ্রামের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ আসনের ভবিষ্যৎ।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।