শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক বৈষম্যবিরোধী নেতা রাজ্জাক গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:০৯

সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানের আরও তিন শিক্ষার্থী—মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার—গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা ১০-২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে ভুক্তভোগী নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্ব শত্রুতা ছিল। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে তাদের মধ্যে সাক্ষাৎ হয়। এ সময় আসামিরা নির্জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ও কনভোকেশনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কথা বলেন।

এ বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শকালে আসামি রাজ্জাকের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনকে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এতে তিনি পিঠ ও বুকে আঘাত পান। পরে রাজ্জাক সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখমণ্ডলে আঘাত করেন। এতে তার নাকের ওপরের অংশ কেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফোলা জখম করা হয়। তার বন্ধু ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে এলে আসামিরা ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। পরে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির ঘটনায়ও রাজ্জাক গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top