সপ্তাহজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর যেসব পদক্ষেপ প্রশংসিত
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৪
দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সময়ানুবর্তিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই তিনি সচিবালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন। বিশেষ কোনো কর্মসূচি না থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অফিসে আসছেন তিনি। এমনকি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারেও তেজগাঁওয়ে অবস্থিত তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই নিয়মিত উপস্থিতি ও কঠোর সময় মেনে চলার প্রবণতা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যেও প্রভাব ফেলেছে। সচিবরাও এখন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে অফিসে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারপ্রধান নিজে আগে এসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও কর্মগতি বেড়েছে।
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি
নিম্ন আয়ের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরীক্ষামূলকভাবে ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো সরাসরি সহায়তা পাবে।
পিলখানা হত্যা মামলায় নতুন মোড়
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারান ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক। দেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা এখনো বিচারাধীন।
এবার এই মামলায় প্রথমবারের মতো আসামির তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম। প্রসিকিউশনের দাবি, সাক্ষীদের জবানবন্দিতে তৎকালীন কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও মন্ত্রীর নাম উঠে এসেছে।
ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী ভাতা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। ঈদের আগেই এই অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধর্মীয় দায়িত্ব পালনকারীদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।
মন্ত্রীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা
মন্ত্রীদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিলাসিতা করার মতো সময় সরকারের হাতে নেই। প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, মন্ত্রিসভায় টিকে থাকা সম্পূর্ণভাবে দক্ষতা ও কাজের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির মুখে পড়তে হবে।
এনএফ৭১/একে
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।