মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

হাম থেকে বাঁচার উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৪:৩২

সংগৃহীত

হাম হলো এক অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের ৭–১৪ দিন পর প্রকাশ পায়। রোগটি প্রাথমিকভাবে ঠান্ডার মতো লক্ষণ দিয়ে শুরু হয়—শুষ্ক কাশি, সর্দি, গলায় জ্বালাপোড়া এবং লাল চোখ। প্রায়ই মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যায়। এরপর সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ছড়িয়ে পড়ে।

সংক্রমণ ও ছড়ানোর উপায়

হামের ভাইরাস নাক এবং গলার মিউকাসে থাকে এবং কাশি, হাঁচি বা সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করেও সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকে চার দিন পর্যন্ত সংক্রামক। টিকা না নেওয়া ঘরে ৯০% মানুষ সংক্রমিত হতে পারে।

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

পোস্ট-এক্সপোজার এমএমআর টিকা: সংস্পর্শের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দিলে হাম প্রতিরোধ বা তীব্রতা কমানো সম্ভব।

হিউম্যান নরমাল ইমিউনোগ্লোবুলিন (HNIG): বিশেষ ক্ষেত্রে ৬ দিনের মধ্যে ব্যবহার করলে স্বল্পমেয়াদী সুরক্ষা দেয়।

টিকাপ্রাপ্তি, আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং সঠিক চিকিৎসা জরুরি।

সতর্কতা

হাম কখনো কখনো গুরুতর জটিলতা যেমন নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ বা মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) সৃষ্টি করতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণ দেখলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং টিকা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

এনএফ৭১/ওতু



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top