শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

একদিনে ছয় জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু

সারাদেশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪০

ছবি: সংগৃহীত

দেশের ছয় জেলায় একদিনেই বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পৃথক স্থানে এসব মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৯ জন।

সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে সুনামগঞ্জে। জেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যু হয়। এছাড়া রংপুর ও ময়মনসিংহে দুইজন করে, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জে একজন করে নিহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ প্রাণহানি-
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তারা ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

রংপুরে নিহত ২, আহত ৯-
রংপুরের মিঠাপুকুরে বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৯ জন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজন শিশু রয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মারা যান।

ময়মনসিংহে দুই উপজেলায় মৃত্যু-
ময়মনসিংহের গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন ধানক্ষেত দেখতে গিয়ে এবং অন্যজন নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে প্রাণ হারান।

নেত্রকোণায় ঘাস কাটতে গিয়ে মৃত্যু-
নেত্রকোণার আটপাড়ায় হাওরে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

হবিগঞ্জে ধান কাটার সময় প্রাণহানি-
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

কিশোরগঞ্জেও একই চিত্র-
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাড়িতে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

বৃষ্টির মৌসুম শুরু হতেই বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে খোলা মাঠ ও হাওরে কাজ করা কৃষকরাই বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন। একদিনে এত প্রাণহানির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এনএফ৭১/একে



বিষয়:


পাঠকের মন্তব্য

মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Top