বাবা মায়ের যেসব ভুলে হাম শিশুর ঝুঁকি বাড়ায়
নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪০
শিশুদের মধ্যে হাম কখনো কখনো গুরুতর রূপ নিতে পারে, বিশেষ করে যদি শুরুতেই সতর্ক না হওয়া হয়। শিশু বিষয়ক চিকিৎসক আফজাল ফেরদৌস জানিয়েছেন, অভিভাবকদের কিছু সাধারণ ভুলই এই রোগকে প্রাণঘাতী করে তুলতে পারে। সচেতন থাকলে এসব ঝুঁকি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।
যেসব ভুল বিপদ ডেকে আনতে পারে
১. টিকা না দেওয়া বা দেরি করা
হামের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো টিকা না নেওয়া। MMR টিকা শিশুকে গুরুতর জটিলতা থেকে সুরক্ষা দেয়।
২. রোগকে হালকাভাবে নেওয়া
অনেকে মনে করেন হাম নিজে নিজেই সেরে যায়। কিন্তু অবহেলা করলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এমনকি মস্তিষ্কে সংক্রমণও হতে পারে।
৩. দেরিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া
জ্বর, চোখ লাল হওয়া, শরীরে ফুসকুড়ি—এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।
৪. আক্রান্ত শিশুকে আলাদা না রাখা
হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে। আক্রান্ত শিশুকে আলাদা না রাখলে অন্যদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরিচর্যাকারীকেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে—হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা জরুরি।
৫. পানি ও খাবার কম দেওয়া
জ্বরের কারণে শিশুর খাওয়ার রুচি কমে যায়। কিন্তু এতে শরীরে পানিশূন্যতা ও অপুষ্টির ঝুঁকি বাড়ে।
৬. ভিটামিন ‘এ’ না দেওয়া
হামের সময় ভিটামিন ‘এ’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি চোখের ক্ষতি ও অন্যান্য জটিলতা কমাতে সহায়তা করে।
৭. শিশুকে বাইরে বা ভিড়ে নিয়ে যাওয়া
হাম দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত শিশুকে বাইরে নিলে অন্য শিশুরাও ঝুঁকিতে পড়ে।
কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে নিতে হবে—
- শ্বাস নিতে কষ্ট
- একেবারে খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া
- অস্বাভাবিক ঘুম বা খিঁচুনি
- ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা
এনএফ৭১/ওতু
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।