পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে সরকারি চাকরিজীবীরা
নিউজফ্ল্যাশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৪
৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভে নেমেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন সড়কে পুলিশের বসানো ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে অগ্রসর হন তারা।
আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ। আজকের মধ্যেই গেজেট জারি না হলে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। তাদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পে কমিশন গঠন হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি, যা সরকারি কর্মচারীদের প্রতি অবিচারের শামিল।
সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতিসহ বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি দপ্তরের পে-স্কেলভুক্ত কর্মচারীরা অংশ নেন।
এদিকে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি জানান, পে কমিশনের প্রতিবেদন গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়নের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার চাইলে এ বিষয়ে পরিবর্তন আনতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত ২৭ জানুয়ারি সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সীমিত হওয়ায় তারা বড় আর্থিক সিদ্ধান্তে যাচ্ছে না। পে কমিশনের সুপারিশগুলো যাচাই করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। তারা আর্থিক সক্ষমতা, মূল্যস্ফীতি এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখবে।
উপদেষ্টা আরও জানান, কমিশনের সুপারিশ পুরোপুরি একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে গেলে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। তবে সাধারণত এ ধরনের পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হয় এবং অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে তা সংশ্লিষ্ট কমিটি পর্যালোচনা করছে।
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।