মাত্র ৩৬ সেকেন্ডে এমপি প্রার্থীর মোটরসাইকেল চুরি করে পালালো চোর
ফরিদপুর প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:০২
ফরিদপুর-২ আসনের (নগরকান্দা ও সালথা) সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. নাজমুল হাসানের মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। অবাক করার বিষয় হলো- মাত্র ৩৬ সেকেন্ডের মধ্যেই চোর মোটরসাইকেলটি নিয়ে গা ঢাকা দেয়।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা এলাকার নিজ বাসার নিচতলার গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে ‘ডাব’ প্রতীক নিয়ে ফরিদপুর-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মো. নাজমুল হাসান। তিনি পেশায় একজন আইনজীবী এবং ফরিদপুর জজকোর্টে কর্মরত। তার বাড়ি সালথা উপজেলার বাহিরদিয়া ইউনিয়নের ছোট বাহিরদিয়া গ্রামে।
এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি মোটরসাইকেলটি গ্যারেজে রেখে আদালতে যান। দুপুর ৩টার দিকে বাসায় ফিরে গ্যারেজে এসে মোটরসাইকেলটি দেখতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে পরে বাসার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর ১২টা ৩৩ মিনিটের দিকে মুখে কালো মাস্ক পরা এক অজ্ঞাত যুবক গ্যারেজে প্রবেশ করে। তার বয়স আনুমানিক ২৫ বছর, মাঝারি গড়নের, পরনে নীল-সাদা ছিটের শার্ট ও খাকি প্যান্ট। ওই যুবক সরাসরি মোটরসাইকেলটির কাছে গিয়ে মাত্র ৩৬ সেকেন্ডের মধ্যেই সেটি নিয়ে চলে যায়।
ফুটেজে আরও দেখা যায়, গ্যারেজে তখন আরও দুইটি মোটরসাইকেল থাকলেও চোর অন্যগুলোর দিকে না তাকিয়ে নির্দিষ্ট এই মোটরসাইকেলটিই চুরি করে, যা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. নাজমুল হাসান বলেন, “আমি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং মোটরসাইকেল উদ্ধারের জন্য পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছি। সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি দ্রুত চোর শনাক্ত করে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।”
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের কাজ বলে ধারণা করছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। আশা করছি খুব শিগগিরই চোরকে গ্রেপ্তার ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা যাবে।”
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।