গোপালগঞ্জ সংরক্ষিত আসনে সাবরিনা আহমেদ শুভ্রা সুযোগ পেলে হতে পারবে মহীয়সী নারী।
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:৫৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সাবরিনা বিনতে আহমেদ শুভ্রাকে দেখতে চায় গোপালগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেনীপেশার জনগণ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। তাছাড়া সনাতনী ধর্ম অবলম্বীদের কাছে ইতিমধ্যে তিনি বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজের স্থান করে নিয়েছেন।
দীর্ঘদিন শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা থাকায় স্থানীয়দের মনের মনিকোঠায় , শিক্ষকতা জীবনে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে জনসম্পৃক্ততার একটি দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলেছেন সাবরিনা বিনতে আহমেদ শুভ্রা।
শিক্ষকতা পেশা থেকে সরে এসে তিনি পূর্ণ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। মানুষ গড়লেই সমাজ বদলায়, দেশ বদলায়।” এই আদর্শ সামনে রেখে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানা গেছে।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিমের সহধর্মিনী। পাশাপাশি তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ–এর অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি রাজধানীর শহীদ বীর-উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একজন সক্রিয় অনুসারী হিসেবে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। তিনি একজন লেখক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত। নিজ এলাকা জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
গোপালগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রমে তিনি সরাসরি মাঠে থেকে সহকর্মীদের নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেন এবং ভোটারদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা শোনেন যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যক্তিস্বার্থে নয়; বরং জনকল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্যেই এর প্রকৃত তাৎপর্য নিহিত। অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী ও তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য এবং সংরক্ষীত নারী আসনের দায়িত্ব পেলে তিনি হতে পারেন একজন মহিয়সি নারী এমনটাই দাবি গোপালগঞ্জ বাসীর।
এ প্রসঙ্গে সাবরিনা বিনতে আহমেদ বলেন, “রাজনীতি মানে মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। সততা, সাহস ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের সেবা করাই আমার অঙ্গীকার।” তিনি জানান, জনগণের সমর্থন ও দোয়াই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুযোগ পেলে তিনি জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জের মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে আরও সংগঠিত ও সচেতন করে তুলতে ভূমিকা রাখবেন বলে জানান সাবরিনা বিনতে আহমেদ শুভ্রা
বিষয়:

পাঠকের মন্তব্য
মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।